Search This Blog

Sunday, September 29, 2019

সাইয়্যিদুল আ'ইয়াদ শরীফ পোস্ট(১১২)

ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিরোধীতাকারীর মৃত্যুর পর কঠিন পরিণতি

========================


একসময় বাংলাদেশের জাতীয় মসজিদের এক সময়কার খতিব ছিলেন ওবায়দুল হক। সে সব সময় ঈদে মীলাদুন্নবী এর বিরোধীতা করতো। ঈদে মীলাদুন নবী আসলেই বলত, “ঈদে মিলাদুন্নবি বিদয়াত” । নাউযুবিল্লাহ।
অপরদিকে হিন্দুয়ানী পহেলা বৈশাখ আসলে বলতে– “আল্লাহর বহু বড় নিয়ামত হলো নববর্ষ। নববর্ষ পালন করতে গিয়ে দান-খয়রাত করতে হবে, শুকরিয়া আদায় করতে হবে, দোয়া করতে হবে।” নাউযুবিল্লাহ।
( তথ্যসূত্র: দৈনিক মানবজমিন ১০/০৪/২০০৪ ইং শেষ পৃষ্ঠা)
ওবায়দুল হকের এ ভুল ফতওয়ার কারণে মৃত্যুর পর এক অদ্ভূত ঘটনা ঘটেছিলো। প্রত্যক্ষদর্শী জানায়, মৃত্যুর সাথে সাথে তার লাশের অস্বাভাবিক পচন ধরেছিলো। পচন রোধে লাশকে চর্তুপাশ থেকে বরফ দিয়ে ঢাকা হয়, এমনকি তার লাশকে বরফের বিছানার উপর রাখা হয়। তারপরও পচন-দুর্গন্ধের কারণে টেকা সম্ভব হচ্ছিলো না। শুধু দুর্গন্ধ নয়, লাশের অস্বাভাবিক বিকৃত ঘটেছিলো। তার পেট এত বড় হতে থাকে যে, অনেকেই ধারণা করেছিলো তার পেট হয়ত ফেটে যাবে।
মহান আল্লাহ তায়ালা এ ধরনের ভুল ফতওয়া দেওয়ার হাত থেকে আমাদের আলেম সমাজকে হেফাজত করুন।
ঈদে মিলাদুন্নবী (ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও  হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারর শানমান এর বিরোধীতাকারীর চেহারার বিকৃতি ।
যারা আল্লাহ পাক উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান-মান এর খিলাপ কথা বলবে ও ঈদে মিলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিরোধীতা করবে তাঁদের পরিনতি এমনই ভয়াবহ হবেই হবে । http://bit.ly/2gYck1W

No comments:

Post a Comment

Featured post

নজিরবিহীন ঘোষণা মুবারক

কায়িনাতের সবকিছুই সাজাবো এবং সারা কায়িনাতের সবাইকে খাওয়াবো ____________________________________ মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত...