আজ থেকে দশ বছর পূর্বে নাহিন ভাইয়ের আম্মা ব্রেইন স্ট্রক করেন। কোন মেডিকেলেই উনাকে ভর্তি নেয়া হচ্ছিল না। কারণ রোগীর অবস্থা দেখে সবাই নিশ্চিত ছিল যে, এই রোগী বাঁচবে না। পরিশেষে উনাকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানেও ভর্তি না নিয়ে তারা রোগীকে ফ্লোরে রেখে দেয়। তখন রোগী সম্পূর্ণ জ্ঞানহারা ছিল। এমতাবস্থায় কোন উপায়ান্তর না পেয়ে উনার বোন সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার কাছে বিষয়টি জানায়। জানানোর পর সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, “তোমার মা সুস্থ হবে, কিন্তু একটু সময় লাগবে।” একথা মুবারক শুনে যেন উনাদের মনে পুনরায় প্রাণ ফিরে পেলেন। কেননা এতক্ষণ উনারা মায়ের চিন্তায় প্রায় দিশেহারা ছিলেন। সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনাকে বিষয়টি অবহিত করেন এবং বলেন, ডাক্তার মেহেদী ভাই সহ অন্যান্য পীরভাইদেরকে হাসপাতালে যাওয়ার জন্য। সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশক্রমে পীর ভাইয়েরা তখন ঢাকা মেডিকেলে যান এবং ভর্তি করানোর ব্যবস্থা করেন। তিনদিন পর উনার আম্মার জ্ঞান ফিরে আসে এবং আস্তে আস্তে সুস্থ হতে থাকেন। যেরূপ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেছিলেন
"সুবহানা উম্মিল উমাম আলাইহাস সালাম"
মৃত্যুর সন্নিকটে থাকার পরও নতুন জীবন দান করে সালিকাদেরকে হিফাযত করার ক্ষমতা মহান আল্লাহ পাক তিনি সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনাকে দান করেছেন
"সুবহানা উম্মিল উমাম আলাইহাস সালাম"
পরিতাপের বিষয় যে, এত বড় মহান নিয়ামত মুবারক পাওয়ার পরও পরিপূর্ণভাবে আমরা উনাকে চিনতে পারলাম না। এখনও সময় রয়েছে। হে কায়িনাতবাসী! উনার পবিত্র নূরানী ক্বদম মুবারকে লুটিয়ে পড়, নিয়ামত মুবারক হাছিল কর।
Search This Blog
Showing posts with label কারামতে উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম. Show all posts
Showing posts with label কারামতে উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম. Show all posts
Wednesday, October 30, 2019
কারামতে মুতহ্হারাহ, মুতহ্হিরাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম-১২
টাঙ্গাইলের মাক্বসুদা আপা উনি সবসময় চেষ্টা করেন ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ পালনের জন্য দরবার শরীফ আসতে। জুমাদাল উখরা মাসে ১২ই শরীফ পালন করে যাওয়ার সময় উনি যে বাসে ছিলেন সেই বাসটি বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বাসের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। উনি উনার পাশের সিটে বসা একজন মহিলাকে কিছু তা’লিম দিচ্ছিলেন, যার কারণে উনি এক্সিডেন্ট খেয়াল করেননি। তবে ধাক্কা লাগায় উনি সিট থেকে পড়ে যান। কিছুক্ষণ পরে উঠে দেখলেন বাসে কোন মানুষ নেই। সবাই জীবনের ভয়ে জানালা দিয়ে বের হয়ে গিয়েছে। উনি ভাবছিলেন যে, এখন কী করবেন? কারণ, জানালা দিয়ে বের হওয়া তো অসম্ভব। হঠাৎ করে একজন ছেলে এসে বলল, “আন্টি! আপনি নামতে পারছেন না? আসেন আমার হাত ধরে লাফ দেন।” উনি বললেন, “না, বাবা! তুমি চলে যাও; আমার পক্ষে এভাবে যাওয়া সম্ভব না।” তারপর ছেলেটি চলে গেল। পরে উনি মনে মনে বললেন, আম্মাজী! আপনি ছাড়া আমার এই মুহুর্তে কেউ নাই। আপনিই আমাকে হেফাযত করুন।” এটা বলতে বলতে পাঁচ মিনিটের মধ্যেই ছেলেটি আবার ফিরে এল এবং বলল, “আন্টি! আল্লাহ পাক আপনার উপর রহম করেছেন। একজনের জন্য কখনো মই আনে না। কিন্তু আপনার জন্য কারেন্টের কাজে যে মই ব্যবহার করে, সে মই আনা হয়েছে। আপনি মই দিয়ে নেমে আসুন! উনি মইয়ে চড়লেন কিন্তু কখনো মইয়ে না চড়ায় ভয় পাচ্ছিলেন। ছেলেটি বলল, “আপনি ব্যাগের চিন্তা করবেন না। উনি আম্মাজী আম্মাজী বলে নামলেন। ছেলেটি উনার ব্যাগ নিয়ে আসল। নিচে নেমে দেখা গেল রক্ত ও কাঁচ ভাঙ্গা দিয়ে রাস্তা ভরে গেছে। একজন নিহত হয়েছে, প্রায় সকলেই আহত হয়েছে। কিন্তু উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার মুবারক উসিলায় উক্ত পীরবোনের কিছুই হয়নি। উনি পুরোই সুস্থ ছিলেন
"সুবহানা উম্মিল উমাম আলাইহাস সালাম"
মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের আখাছছুল খাছ মনোনীত ওলীআল্লাহ হলেন সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম। উনার মুবারক উসিলাতে অসংখ্য- অগণিত সালিক-সালিকাগণ উনাদেরকে উনার খাছ ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ ও নেক দৃষ্টি মুবারক দ্বারা সদাসর্বদা হিফাযত করেন। মহান আল্লাহ পাক তিনি যেন আমাদেরকে উনার ক্বদম মুবারকে অনন্তকাল ধরে ইস্তেকামত থাকার তৌফিক দান করেন
"আমীন"
"সুবহানা উম্মিল উমাম আলাইহাস সালাম"
মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের আখাছছুল খাছ মনোনীত ওলীআল্লাহ হলেন সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম। উনার মুবারক উসিলাতে অসংখ্য- অগণিত সালিক-সালিকাগণ উনাদেরকে উনার খাছ ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ ও নেক দৃষ্টি মুবারক দ্বারা সদাসর্বদা হিফাযত করেন। মহান আল্লাহ পাক তিনি যেন আমাদেরকে উনার ক্বদম মুবারকে অনন্তকাল ধরে ইস্তেকামত থাকার তৌফিক দান করেন
"আমীন"
কারামতে মুতহ্হারাহ, মুতহ্হিরাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম-১১
টাঙ্গাইলের মাকসুদা আপা একবার রবীউল আউওয়াল শরীফ মাসে দরবার শরীফ থেকে তিনটি কাঠের প্লেট কিনেছিলেন। বাসায় যাওয়ার পরে একটি প্লেট উনার আহাল আর দুটি উনার দুই মেয়ে ব্যবহারের জন্য নিয়ে নেয়। একদিন শীতকালে উনি পানি গরম করতে দিয়েছিলেন, কিন্তু কোন ঢাকনা না পেয়ে একটি কাঠের প্লেট দিয়ে পাতিলটি ঢেকে দেন। আগুনের তাপের কারণে প্লেটটি এমনভাবে ফেটেছিল যে, ঐ প্লেটটি খাবার খাওয়ার মত ছিল না। উনি উনার মেয়েদেরকে বললেন, “তোমরা তোমাদের আব্বুকে বলো না। কারণ, নতুন প্লেট ভেঙ্গে গেছে শুনলে রাগ করবেন।” প্লেটটি ফেটে যাওয়ায় উনার মেয়েরা দোয়া করছিল যে, “আম্মাজী! আমাদের প্লেট ভাল করে দিন। উনি উনার মেয়েকে বললেন, “যে রুমে কেউ থাকেনা, সে রুমে রেখে আসো, তাহলে তোমার আব্বু দেখবেনা।” আর উনার বড় মেয়ে বলল, “ঐ রুমে রেখে দাও কয়েকদিন পরে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার উসিলায় ভালো হয়ে যাবে। সত্যিই কয়েকদিন পর দেখা গেল, প্লেটটি জোড়া লেগে গিয়েছে
"সুবহানা উম্মিল উমাম আলাইহাস সালাম"
এমনকি এখনও পর্যন্ত উনারা ঐ প্লেট ব্যবহার করেন।
মহান আল্লাহ পাক উনার মনোনীত ওলীআল্লাহ উনাদের উসিলায় যেকোন দোয়া করলে মহান আল্লাহ পাক তিনি সে দোয়া অবশ্যই কবুল করে থাকেন। যার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হলো, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম। মহান আল্লাহ পাক তিনি যেন আমাদের সকলকে উনার প্রতি হাক্বীক্বী হুসনে যন পোষণ করার এবং উনার হাক্বীক্বী শুকরিয়া আদায় করার তৌফিক দান করেন
"আমীন"
"সুবহানা উম্মিল উমাম আলাইহাস সালাম"
এমনকি এখনও পর্যন্ত উনারা ঐ প্লেট ব্যবহার করেন।
মহান আল্লাহ পাক উনার মনোনীত ওলীআল্লাহ উনাদের উসিলায় যেকোন দোয়া করলে মহান আল্লাহ পাক তিনি সে দোয়া অবশ্যই কবুল করে থাকেন। যার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হলো, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম। মহান আল্লাহ পাক তিনি যেন আমাদের সকলকে উনার প্রতি হাক্বীক্বী হুসনে যন পোষণ করার এবং উনার হাক্বীক্বী শুকরিয়া আদায় করার তৌফিক দান করেন
"আমীন"
কারামতে মুতহ্হারাহ, মুতহ্হিরাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম-১০
একবার আলমাস ভাইয়ের আহলিয়ার পায়ে অনেকগুলো গোটা উঠল এবং পা অনেক ফুলে গেল। যার কারণে উনি পা ফেলতে পারতেন না। উনি অসুস্থতার বিষয়টি সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার নিকট জানালেন। সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বললেন, “আপনার তো লিভারে সমস্যা, আপনি ডাক্তার দেখিয়ে ঔষধ খান।” উনি বললেন, “সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম! আপনিই সবচেয়ে বড় ডাক্তার। এটাই হসপিটাল আপনিই আমাকে সুস্থতা দান করবেন।” তখন সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বললেন, “আপনি তেল, পানি, কালোজিরা ব্যবহার করেন।” তারপর উনি দোয়া মুবারক চাইলেন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি ফুঁ মুবারক দিলেন। বড় রুমের দরজা পর্যন্ত এসেই দেখেন যে, উনার পায়ের ফুলাও নাই, গোটাও নাই
"সুবহানা উম্মিল উমাম আলাইহাস সালাম"
এরপর উনার আর কোন সমস্যা হয়নি, উনি পুরোপুরি সুস্থতা লাভ করেন। সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি যে কত বড় মহান নিয়ামত মুবারক, সে বিষয়টি মানুষের চিন্তা ফিকিরেরও অনেক উর্দ্ধে। মহান আল্লাহ পাক তিনি ও উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা যেন দয়া-ইহসান মুবারক করে সমস্ত মুসলিম উম্মাহকে উনার ছোহবত মুবারক ও নেক নজর মুবারকে আসার তৌফিক দান করেন এবং অনন্তকাল ধরে ইস্তেকামত থাকার তৌফিক দান করেন
"আমীন"
"সুবহানা উম্মিল উমাম আলাইহাস সালাম"
এরপর উনার আর কোন সমস্যা হয়নি, উনি পুরোপুরি সুস্থতা লাভ করেন। সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি যে কত বড় মহান নিয়ামত মুবারক, সে বিষয়টি মানুষের চিন্তা ফিকিরেরও অনেক উর্দ্ধে। মহান আল্লাহ পাক তিনি ও উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা যেন দয়া-ইহসান মুবারক করে সমস্ত মুসলিম উম্মাহকে উনার ছোহবত মুবারক ও নেক নজর মুবারকে আসার তৌফিক দান করেন এবং অনন্তকাল ধরে ইস্তেকামত থাকার তৌফিক দান করেন
"আমীন"
Tuesday, October 29, 2019
কারামতে মুতহ্হারাহ, মুতহ্হিরাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম-৯
একদিন ছাত্র ছোয়াদের আম্মুর সাথে একজন মহিলা দরবার শরীফে আসল। সে তা’লিম মুবারক শুনে, তাবারুক খেয়ে মাদরাসা দেখে চলে যাওয়ার সময় উক্ত পীরবোন তাকে জিজ্ঞেস করলেন, “কেমন দেখলেন? কেমন লাগল? সে বলল, “সবকিছুই তো ভালো লাগল, তবে যিনি তা’লিম মুবারক দিয়েছেন উনাকে ব্যতীত।” নাউযুবিল্লাহ! অর্থাৎ সে বুঝাতে চেয়েছে যে, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনাকে এবং উনার তা’লীম মুবারক তার ভালো লাগেনি। নাউযুবিল্লাহ! তারপর সে বাসায় চলে গেল। কিছুদিন পর তার সাথে উক্ত বোনটির দেখা হল। উনি দেখলেন যে, উক্ত মহিলার মুখ বাঁকা হয়ে গেছে। উক্ত পীরবোনটি তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, “আপনার এ অবস্থা কবে থেকে হয়েছে?” সে বলল, “যেদিন সে দরবার শরীফ থেকে এসে তা’লীম মুবারক আছন্দ করেছে, সেদিন রাতে ঘুমানোর পরে তার এ অবস্থা।” সে বলল যে, সে অনেক ডাক্তার দেখিয়েছে, কিন্তু ডাক্তার বলেছে, এটা কোনদিন ভালো হবে না। এটা শুনে উক্ত পীরবোনটি তাকে বললেন, “যেহেতু আপনি ওলীআল্লাহ উনার সাথে বেয়াদবী করেছেন। তাই আপনার এ অবস্থা হয়েছে। আপনি উনার নিকট গিয়ে উনার ক্বদম মুবারক ধরে খাছভাবে ক্ষমাপ্রার্থনা করেন।” কিন্তু এখন পর্যন্ত সে ক্ষমা চায়নি। যার কারণে তার মুখ এখনও বাঁকা অবস্থায় রয়েছে
"নাউযুবিল্লাহ"
مَنْ عَادَا لِىْ وَلِــيًّا فَقَدْ اٰذَنْتُهُ بِالْـحَرْبِ .
অর্থ: “যারা মহান আল্লাহ পাক উনার ওলীগণ উনাদের বিরোধিতা করে স্বয়ং খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করেন।”
তাই সকলকেই উপলব্ধি করতে হবে, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি কত উঁচু স্তরের ওলীআল্লাহ। মহান আল্লাহ পাক তিনি যেন উনার ছোহবতে এসে উনাকে চেনার, বুঝার তৌফিক দান করেন
"আমীন"
"নাউযুবিল্লাহ"
مَنْ عَادَا لِىْ وَلِــيًّا فَقَدْ اٰذَنْتُهُ بِالْـحَرْبِ .
অর্থ: “যারা মহান আল্লাহ পাক উনার ওলীগণ উনাদের বিরোধিতা করে স্বয়ং খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করেন।”
তাই সকলকেই উপলব্ধি করতে হবে, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি কত উঁচু স্তরের ওলীআল্লাহ। মহান আল্লাহ পাক তিনি যেন উনার ছোহবতে এসে উনাকে চেনার, বুঝার তৌফিক দান করেন
"আমীন"
কারামতে মুতহ্হারাহ, মুতহ্হিরাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম-৮
একদিন শাকের ভাইয়ের বড় বোনের প্রচন্ড বুকে ব্যথা হয়। ব্যথার কারণে উনি বসতে পারতেন না, কথাও বলতে পারতেন না। সেজন্য উনি ডাক্তার দেখালেন। দেখা গেল যে, উনার Blood pressure হঠাৎ High হয়ে যায়, হঠাৎ Low হয়ে যায়। ডাক্তার বলল, যেহেতু আপনার ব্লাড প্রেসার up - down করছে, আপনার হয়ত হার্টের সমস্যা আছে। আপনি একটা ECG করেন।” ECG এর রিপোর্টে ধরা পড়ল যে, উনার হার্টে সমস্যা আছে। তাই ডাক্তার উনাকে Echo করতে বলল। Echo করে দেখা গেল, উনার হার্টে বড় একটি ছিদ্র আছে। যার কারণে উনার বুক ব্যথা হচ্ছে। যেহেতু উনি অসুস্থতার কারণে দরবার শরীফে আসতে পারেন নি, তাই উনার ভাই বিষয়টি সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার নিকট জানান। সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার নিয়ত করতে বলেন। শাকের ভাই বিষয়টি উনার বোনকে জানালেন। উনার বোন ভাবলেন, যেহেতু উনি গুরুতর অসুস্থ, তাই বড় অঙ্কের টাকার নিয়ত করা উচিত। তাছাড়া উনার কাছে তখন খুব বড় অঙ্কের টাকা ছিল না। তাই উনি উনার স্বর্ণ বিক্রি করে ঐ টাকা সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার নিকট হাদিয়া দিয়ে নিজের সুস্থতার জন্যে দোয়া মুবারক চান। তারপর দেখা গেল, উনার বুকের ব্যথা একেবারে কমে গেছে, যেই ব্যথা ঔষধ খাওয়ার পরও কমছিল না শুধুমাত্র সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার দোয়া মুবারক, ফুঁ মুবারক উনার কারণে উনি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে যান
"সুবহানা সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মিল উমাম আলাইহাস সালাম"
যামানার খাছ লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ উনারা ছহিবে কুন ফায়াকুন এই মহান গুণে গুনান্বিত। মহান আল্লাহ পাক তিনি উনাদেরকে সমস্ত কঠিন বিপদ-আপদ, বালা-মুছিবত, অসুখ-বিসুখ সমস্ত কিছু থেকে পরিত্রাণ দেয়ার ক্ষমতা দিয়ে থাকেন। আর এই মহান গুণে গুনান্বিত সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি। বড় আফসুস! আমরা মুসলিম উম্মাহ এখনও উনাকে হাক্বীক্বীভাবে চিনতে পারিনি। মহান আল্লাহ পাক তিনি যেন আমাদেরকে উনাকে হাক্বীক্বীভবে চেনার এবং উনার শান-মান, মর্যাদা মুবারক বুঝার তৌফিক দান করেন
"আমীন"
"সুবহানা সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মিল উমাম আলাইহাস সালাম"
যামানার খাছ লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ উনারা ছহিবে কুন ফায়াকুন এই মহান গুণে গুনান্বিত। মহান আল্লাহ পাক তিনি উনাদেরকে সমস্ত কঠিন বিপদ-আপদ, বালা-মুছিবত, অসুখ-বিসুখ সমস্ত কিছু থেকে পরিত্রাণ দেয়ার ক্ষমতা দিয়ে থাকেন। আর এই মহান গুণে গুনান্বিত সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি। বড় আফসুস! আমরা মুসলিম উম্মাহ এখনও উনাকে হাক্বীক্বীভাবে চিনতে পারিনি। মহান আল্লাহ পাক তিনি যেন আমাদেরকে উনাকে হাক্বীক্বীভবে চেনার এবং উনার শান-মান, মর্যাদা মুবারক বুঝার তৌফিক দান করেন
"আমীন"
কারামতে মুতহ্হারাহ, মুতহ্হিরাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম-৭
জাফরের আম্মু যখন তৃতীয়বার concieve করেন, তখন উনি আল্ট্রাসোনো করার পর ডাক্তাররা বলল যে, আপনার এই বাচ্চা abortion করে ফেলতে হবে। কারণ, আপনার বাচ্চা নিচের দিকে, ফুল উপরের দিকে। এভাবে বাচ্চা থাকলে যেকোন সময় মা-বাচ্চা মারা যেতে পারে। কারণ, ফুল উপরের দিকে থাকার কারণে মা যখন বসে তখন ফুলে চাপ লেগে যেকোন সময় blast হয়ে যেতে পারে। তখন মা মারা যান। কিন্তু উনার ইচ্ছা ছিল উনার একটা মেয়ে হবে, যেহেতু উনার এর আগে দু’টি ছেলে আছে। তাছাড়া উনি কিছুতেই abortion করবেন না। ডাক্তার উনাকে সম্পূর্ণ বেড রেস্টে থাকতে বলেছে, কিন্তু এদিকে উনার আহাল এক্সিডেন্ট করেছেন, আবার উনার দুই ছেলেও তখন ছোট ছিল। উনার শারীরিক অবস্থাও খুব খারাপ ছিল। তাছাড়া উনার ছেলেদেরকেও দেখাশুনা করতে হত। আর যেহেতু উনাকে ডাক্তার বলেছিল, সম্পূর্ণ বেড রেস্টে থাকতে তাই উনি সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার নিকট আসতে পারেন নি, অন্য একজন পীরবোনের মাধ্যমে দোয়া মুবারক চান। সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি পেটের উপর দিক থেকে নিচ পর্যন্ত পড়া তেল মালিশ করতে বলেন। তিনি সেই অনুযায়ী নিয়মিত তেল মালিশ করতে থাকেন। কিছুদিন পর তিনি লক্ষ্য করলেন, উনার শারীরিক অবস্থা আগের থেকে উন্নতি হয়েছে। উনি আগের থেকে অনেকটা সুস্থতা লাভ করেছেন
"সুবহানা উম্মিল উমাম আলাইহাস সালাম"
এভাবে কয়েকমাস অতিক্রম করার পর যখন উনার প্রেগনেন্সির ৬/৭ মাস পাড় হয়, তখন উনার আহাল উনাকে বললেন,“ আপনাকে তো এখন আগের থেকে অনেকটা সুস্থ মনে হচ্ছে, আরেকবার আল্ট্রাসোনো করে দেখেন।” পরে উনি আল্ট্রাসোনো করার পর ডাক্তারকে রির্পোট দেখালেন। ডাক্তার রিপোর্ট দেখে বললেন,“ রিপোর্ট তো নরমাল। এমনকি কোন সমস্যা হয়েছিল?” পরে উনি উনার পূর্বের সমস্যার কথা বললেন। ডাক্তার উনার পূর্বের সমস্যার কথা শুনে অবাক হয়ে বলল, কোথায়! এখন তো কোন সমস্যা নেই। উনি ডাক্তারের কথা শুনে বললেন যে, “এটা সম্পূর্ণ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার কারামত মুবারক।”
"সুবহানা উম্মিল উমাম আলাইহাস সালাম"
এভাবে কয়েকমাস অতিক্রম করার পর যখন উনার প্রেগনেন্সির ৬/৭ মাস পাড় হয়, তখন উনার আহাল উনাকে বললেন,“ আপনাকে তো এখন আগের থেকে অনেকটা সুস্থ মনে হচ্ছে, আরেকবার আল্ট্রাসোনো করে দেখেন।” পরে উনি আল্ট্রাসোনো করার পর ডাক্তারকে রির্পোট দেখালেন। ডাক্তার রিপোর্ট দেখে বললেন,“ রিপোর্ট তো নরমাল। এমনকি কোন সমস্যা হয়েছিল?” পরে উনি উনার পূর্বের সমস্যার কথা বললেন। ডাক্তার উনার পূর্বের সমস্যার কথা শুনে অবাক হয়ে বলল, কোথায়! এখন তো কোন সমস্যা নেই। উনি ডাক্তারের কথা শুনে বললেন যে, “এটা সম্পূর্ণ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার কারামত মুবারক।”
কারামতে মুতহ্হারাহ, মুতহ্হিরাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম-৬
একবার ডাক্তার মারুফ ভাইয়ের আহলিয়া ও ইঞ্জিনিয়ার রিদ্বওয়ান ভাইয়ের আহলিয়া উনারা দু’জন উনাদের ছুটিতে চট্টগ্রাম যাচ্ছিলেন। যাওয়ার সময় সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার নিকট দোয়া মুবারক চেয়ে যান। ডাক্তার মারুফ ভাইয়ের আহলিয়া জানান, গাড়িতে উঠার পর থেকে উনার কাছে সবকিছু অস্বাভাবিক মনে হচ্ছিল এবং অনেক ঘুম ঘুম লাগছিল। তাই উনি ইয়া আম্মাজী ক্বিবলা শাইয়ান লিল্লাহ! বলে পুরো গাড়িতে ফুঁ দিয়েছিলেন। তারপর উনি ঘুমিয়ে যান। ঘুমের মধ্যে গাড়িটি এক্সিডেন্ট হয় এবং দু’বার উল্টিয়ে রাস্তার খাদে পড়ে গাড়িটি আবার সোজা হয়ে যায়। কিন্তু সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার মুবারক উসিলায় উনাদের সহ গাড়ির কারো কোন ক্ষতি হয়নি এমনকি ডাক্তারও দেখাতে হয়নি
"সুবাহনা উম্মিল উমাম আলাইহাস সালাম"
তারপর বাসায় পৌঁছে দরবার শরীফ উনার মোবাইলে ফোন করে একজন আপাকে বলেন যে, এক্সিডেন্টের বিষয়টি সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনাকে জানানোর জন্য। সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনাকে জানানোর পর তিনি একটি সময় উল্লেখ করে বলেন, এক্সিডেন্টটি এই সময়ে হয়েছে কিনা? ঐ আপা আবার উনাদেরকে বিষয়টি জিজ্ঞেস করার পর উনারা বলেন যে, হ্যাঁ,সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি যে সময়ের কথা বলেছেন ঐ সময়ই দূর্ঘটনাটি হয়েছিল। এ বিষয়টি আবার সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনাকে জানানো হলে তিনি বলেন যে, ঐ সময়ে (দূর্ঘটনাটি যে সময় হয়েছিল) উনার নুরুল মুনাওয়ার মুবারক (চোখ মুবারক) দিয়ে নুরুল মুহাব্বত মুবারক প্রবাহিত হয়েছিল
"সুবহানা উম্মিল উমাম আলাইহাস সালাম"
ওলীআল্লাহ উনারা মহান আল্লাহ পাক উনার হাক্বীক্বী ক্বায়িম -মাক্বাম। মহান আল্লাহ পাক তিনি যেমন বান্দাদের অন্তরের অন্তঃস্থলের খবরও জানেন, তেমনি ওলীআল্লাহগণ উনারাও মহান আল্লাহ পাক উনার প্রদত্ত গুণে গুণান্বিত হয়ে উম্মাহর অন্তরের খবর জানেন।
اِتَّقُوْا فِرَاسَةُ الْمُؤْمِنَ فَاِنَّهُ يَنْظُرُ بِنُوْرِ اللهِ.
অর্থ: “মু’মিনগণ উনাদের অন্তর দৃষ্টিকে ভয় কর, কেননা উনারা মহান আল্লাহ পাক উনার নূর মুবারক দ্বারা দেখে থাকেন।”
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনিও তদ্রুপ মহান আল্লাহ পাক উনার নূর মুবারক দ্বারা দেখে থাকেন। (সুবহানা উম্মিল উমাম আলাইহাস সালাম)। মহান আল্লাহ পাক তিনি যেন উনার মুবারক ছোহবতে এসে উনার অন্তর দৃষ্টির মধ্যে মুসলিম উম্মাহকে আবদ্ধ থেকে নিয়ামত মুবারক হাছিল করার তৌফিক দান করেন
"আমীন"
"সুবাহনা উম্মিল উমাম আলাইহাস সালাম"
তারপর বাসায় পৌঁছে দরবার শরীফ উনার মোবাইলে ফোন করে একজন আপাকে বলেন যে, এক্সিডেন্টের বিষয়টি সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনাকে জানানোর জন্য। সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনাকে জানানোর পর তিনি একটি সময় উল্লেখ করে বলেন, এক্সিডেন্টটি এই সময়ে হয়েছে কিনা? ঐ আপা আবার উনাদেরকে বিষয়টি জিজ্ঞেস করার পর উনারা বলেন যে, হ্যাঁ,সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি যে সময়ের কথা বলেছেন ঐ সময়ই দূর্ঘটনাটি হয়েছিল। এ বিষয়টি আবার সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনাকে জানানো হলে তিনি বলেন যে, ঐ সময়ে (দূর্ঘটনাটি যে সময় হয়েছিল) উনার নুরুল মুনাওয়ার মুবারক (চোখ মুবারক) দিয়ে নুরুল মুহাব্বত মুবারক প্রবাহিত হয়েছিল
"সুবহানা উম্মিল উমাম আলাইহাস সালাম"
ওলীআল্লাহ উনারা মহান আল্লাহ পাক উনার হাক্বীক্বী ক্বায়িম -মাক্বাম। মহান আল্লাহ পাক তিনি যেমন বান্দাদের অন্তরের অন্তঃস্থলের খবরও জানেন, তেমনি ওলীআল্লাহগণ উনারাও মহান আল্লাহ পাক উনার প্রদত্ত গুণে গুণান্বিত হয়ে উম্মাহর অন্তরের খবর জানেন।
اِتَّقُوْا فِرَاسَةُ الْمُؤْمِنَ فَاِنَّهُ يَنْظُرُ بِنُوْرِ اللهِ.
অর্থ: “মু’মিনগণ উনাদের অন্তর দৃষ্টিকে ভয় কর, কেননা উনারা মহান আল্লাহ পাক উনার নূর মুবারক দ্বারা দেখে থাকেন।”
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনিও তদ্রুপ মহান আল্লাহ পাক উনার নূর মুবারক দ্বারা দেখে থাকেন। (সুবহানা উম্মিল উমাম আলাইহাস সালাম)। মহান আল্লাহ পাক তিনি যেন উনার মুবারক ছোহবতে এসে উনার অন্তর দৃষ্টির মধ্যে মুসলিম উম্মাহকে আবদ্ধ থেকে নিয়ামত মুবারক হাছিল করার তৌফিক দান করেন
"আমীন"
কারামতে মুতহ্হারাহ, মুতহ্হিরাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম-৫
একজন পীরবোনের ছোট ছেলের ডেলিভারীর দিন আল-মুতমাইন্নাহ মা ও শিশু হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। আনুমানিক দুপুর ২:৩০ মিনিটে আল্ট্রাসোনো করে দেখা যায়, পেটের ভিতরে পানির পরিমাণ কমে গেছে। তখন ডাক্তাররা বলে যে, “দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে বাচ্চা পানিশূণ্য হয়ে পড়বে এবং বাচ্চার জন্য বের হয়ে আসা কঠিন হয়ে যাবে। কিন্তু এদিকে বাচ্চা হওয়ার তেমন কোন আলামত তখনও যাহির হয়নি। তারপর সে পীরবোনকে স্যালাইন পুশ করা হয় এবং সে পীরবোনটি মীলাদ শরীফ পাঠ করতে থাকে। এর মধ্যে সন্ধ্যা হয়ে যায় কিন্তু তখনও বাচ্চা হওয়ার তেমন কোন আলামত যাহির হয়নি। সন্ধ্যার পরে পীরবোনটিকে লেবার রুমে ঢুকানো হয়। আনুমানিক ০৭:৩০ টার দিকে ডাক্তার এসে বলে, “অনেক অপেক্ষা করা হয়েছে, আর আধাঘন্টা অপেক্ষা করা হবে। এর মধ্যে যদি বাচ্চা না হয়, তাহলে সিজার করতে হবে। না হলে বাচ্চা, মা কাউকে বাঁচানো সম্ভব হবে না। শুরু থেকে সমস্ত অবস্থাই সবসময় সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনাকে জানানো হল, তখন তিনি বলেন যে, ভিতরে পানির বোতল পাঠানোর জন্য এবং পড়া পানি খাওয়ার জন্য। এদিকে পীরবোনটি ধীরে ধীরে দূর্বল হয়ে যাচ্ছিল। তারপর যখন সেই পড়া-পানি ভিতর থেকে আসে, সেই পানি তিনবার অল্প অল্প করে মুখে দেয়ার কিছুক্ষণের মধ্যে তেমন কোন লেবার পেইন ছাড়াই নরমালে বেবী হয়ে যায়। নরমাল হওয়ার পর দেখা যায়, বেবীটির গলায় ডাবল কর্ড পেঁচানো। বেবীরা নরমালে হতে হলে অনেক কমপ্লিকেশন দেখা যায় এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সিজার হয়। কিন্তু সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার মুবারক উসিলায় এই কঠিন বিষয়টি সহজ হয়ে যায় এবং মা-বাচ্চা উভয়ই পরিপূর্ণ সুস্থ ছিল।(সুবহানা হযরত উম্মিল উমাম আলাইহাস সালাম)
মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা যামানার খাছ লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার ছোহবত মুবারকে এসে সকলকে যাহির বাতিন সুস্থতা লাভের তৌফিক দান করেন
"আমীন"
মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা যামানার খাছ লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার ছোহবত মুবারকে এসে সকলকে যাহির বাতিন সুস্থতা লাভের তৌফিক দান করেন
"আমীন"
কারামতে মুতহ্হারাহ, মুতহ্হিরাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম (৪)
ভোলাহাটের আসমা আপার আব্বার একদিন রাত ৪ টায় পেটের ডান পাশে ব্যথা উঠে। হসপিটালে নেওয়ার পর স্যালাইন দেয়া হয়। বিষয়টি সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার নিকট জানানো হলে তিনি বলেন, বেশী বেশী পানি পান করতে। পরে টেস্ট করার পর প্রথমে ধরা পড়ে যে, কিডনীতে পানি হয়েছে। ঔষধ দেয়া হয় কিন্তু কোন পরিবর্তন দেখা যায়নি। পরে আবার আল্ট্রাসোনো করার পর ধরা পরে যে, মুত্রনালীতে পাথর হয়েছে। ডাক্তাররা আপারেশন করতে বলেছে কিন্তু উনার আব্বার শ্বাসকষ্ট বিধায় সবাই ভয় পাচ্ছিল।
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার নিকট বিষয়টি জানানোর পর তিনি তেল, পানি, কালোজিরা ব্যবহার করতে বলেন এবং পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার খিদমত মুবারক করার নিয়ত করতে বলেন। উনি উনার আম্মাকে বিষয়টি জানান, উনার আম্মা উনার আব্বাকে বেশী বেশী তেল, পানি, কালোজিরা ব্যবহাহর করান এবং সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার জন্য হাদিয়া দেন। পরবর্তীতে ৪/৫ দিন পর আল্ট্রাসোনো করে দেখা যায়, উনার আব্বা সম্পূর্ণ সুস্থ। সুবহানাল্লাহ!
ডাক্তাররা অবাক হয়ে বলল, এটা কী করে সম্ভব? তারা দ্বিতীয়বার আল্ট্রাসোনো করলো, কিন্তু একই রিপোর্ট এসেছে
"সুবহানাল্লাহ"
ওলীআল্লাহ উনারা শুধু বাতেনী রোগের চিকিৎসক নন, উনারা যাহেরী রোগেরও চিকিৎসক। শুধু চিকিৎসকই নন, চিকিৎসকের চিকিৎসক। উনাদের উসীলায় বান্দা-বান্দী, উম্মত উনারা সুস্থও হন, সাথে সাথে হাক্বীক্বী ইছলাহ হাছিল করেন। মহান আল্লাহ পাক তিনি যেন সেই খাছ ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ হাছিল করার তৌফিক দান করেন
"আমীন"
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার নিকট বিষয়টি জানানোর পর তিনি তেল, পানি, কালোজিরা ব্যবহার করতে বলেন এবং পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার খিদমত মুবারক করার নিয়ত করতে বলেন। উনি উনার আম্মাকে বিষয়টি জানান, উনার আম্মা উনার আব্বাকে বেশী বেশী তেল, পানি, কালোজিরা ব্যবহাহর করান এবং সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার জন্য হাদিয়া দেন। পরবর্তীতে ৪/৫ দিন পর আল্ট্রাসোনো করে দেখা যায়, উনার আব্বা সম্পূর্ণ সুস্থ। সুবহানাল্লাহ!
ডাক্তাররা অবাক হয়ে বলল, এটা কী করে সম্ভব? তারা দ্বিতীয়বার আল্ট্রাসোনো করলো, কিন্তু একই রিপোর্ট এসেছে
"সুবহানাল্লাহ"
ওলীআল্লাহ উনারা শুধু বাতেনী রোগের চিকিৎসক নন, উনারা যাহেরী রোগেরও চিকিৎসক। শুধু চিকিৎসকই নন, চিকিৎসকের চিকিৎসক। উনাদের উসীলায় বান্দা-বান্দী, উম্মত উনারা সুস্থও হন, সাথে সাথে হাক্বীক্বী ইছলাহ হাছিল করেন। মহান আল্লাহ পাক তিনি যেন সেই খাছ ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ হাছিল করার তৌফিক দান করেন
"আমীন"
কারামতে মুতহ্হারাহ, মুতহহিরাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম- ৩
রেবা (শ্যাওড়াপাড়া) তিনি উনার বাবার বাড়ি রাজবাড়িতে একবার বেড়াতে গিয়েছিলেন। তখন সেখান থেকে উনি উনার ছেলে, মেয়ে এবং উনার মা সহ উনার মামা বাড়িতে যাওয়ার জন্য রওনা হন। উনার মামাবাড়ি গ্রামের ভিতরের দিকে ছিল। রাস্তাগুলো উঁচু-নিচু। আর গাড়িটাও তেমন ভালো ছিল না। হঠাৎ গাড়িটা উচুঁ জায়গা থেকে ঢালুতে নামার সময় উল্টে যেতে থাকে। উনি তখন জোরে জোরে ইয়া আম্মাজী! ইয়া আম্মাজী! ইয়া মামদুহজী! হেফাযত করুন বলে উঠলেন। উনার সাথে সাথে উনার মেয়ে-ছেলেও আম্মাজী! আম্মাজী! বলে চিৎকার করে উঠে। গাড়িটি কয়েকবার উল্টে তারপর খাদে যেয়ে পড়ে। উনার ছেলে নিচে পড়ে যায় এবং গাড়িটি উনার ছেলের উপর পড়ে। গাড়ি থেকে ডিজেল বের হওয়ায় উনাদের শরীর ভিজে যায়। সে সময় দুপুর বেলা হওয়ায় রাস্তায় তেমন কেউ ছিল না এবং ড্রাইভার পালিয়ে গিয়েছিল। তখন উনারা আম্মাজী! আম্মাজী! বলছিলেন এবং দূরের মানুষদেরকে ডাকছিলেন। প্রায় আধাঘন্টার মধ্যে মানুষজন আসে এবং গাড়িটিকে উনার ছেলের উপর থেকে উঠায়। উনারাও বের হন। তবে আশ্চর্যের বিষয় হল যে, আম্মাজী! আম্মাজী! নাম মুবারক উনার যিকির করার কারণে ছেলেটির পায়ে তেমন কোন আঘাত লাগেনি। পাতার উপরে পাতলা পর্দা হালকা ফেটে গিয়েছিল বা কিছুদিন পর সেরে যায়। বাকিরাও তেমন ব্যাথা পাননি শুধু ছিলে গিয়েছিল। আরও আশ্চর্যের বিষয় হল, এতক্ষণ যে ডিজেল বেরিয়ে উনাদের জামা কাপড়ে লেগেছিল গাড়িতে ভেসে গিয়েছিল যার কারণে পরবর্তীতে সে জামাগুলো ছিদ্র হয়ে গিয়েছিল, শুধু এতটুকুই হয়েছিল। কিন্তু আমরা সবাই জানি যে, এভাবে যখন ডিজেল বেরিয়ে যায় তখন গাড়ির সংঘর্ষের কারণে আগুন ধরে যায়। শুধুমাত্র সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার দয়া ইহসান মুবারকে মারাত্মক কিছুই ঘটেনি। ওলীআল্লাহ উনাদের ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ এমন মহান নিয়ামত মুবারক যা কিনা মানুষ কাছে দূরে যেখানেই থাকুক না কেন? তাকে সমস্ত বিপদ-আপদ, বালা-মুছিবত থেকে হিফাজত করেন। সেই জন্য যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার মুবারক ছোহবতে আসা। মহান আল্লাহ পাক তিনি যেন সেই খাছ ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ হাছিল করার তৌফিক দান করেন
"আমীন"
"আমীন"
কারামতে মুতহ্হারাহ, মুতহহিরাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম-২
পবিত্র কুরবানী ঈদের পরের দিন সাইয়্যিদ মুহম্মদ আব্দুল হালীম ভাইয়ের বড় ছেলে সাইয়্যিদ আব্দুল ক্বাদির যখন দূর্ঘটনাবশত: পুড়ে যায় তখন ওকে কোন হসপিটালেই ভর্তি রাখেনি, শেষে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যায়। নিয়ে যাওয়ার পর টেষ্ট করে দেখা যায় শরীরের ৮০% পুড়ে গিয়েছে। তাই ডাক্তার অনির্দিষ্ট কালের জন্য ভর্তি হতে বলে। তার চেহারার অর্ধেক সহ নীচে শরীরের পুরোটাই পুড়ে গিয়েছিল। সারা দিন-রাত খুবই কান্নাকাটি করত, হাসপাতালে থাকতে চাইতো না। দরবার শরীফে আসতে চাইত এবং বলত “ আমি দরবার শরীফে যাব।” ব্যান্ডেজ করার তিনদিন পরে যখন ওকে ড্রেসিং করতে নিয়ে যায়, তখন দেখা গেল, তার পুরো শরীরে ইনফেকশন হয়ে গেছে। ডাক্তাররা বলল, এভাবে ইনফেকশন হলে সাধারণত রোগী বাঁচে না, বাঁচলেও দীর্ঘদিন হাসপাতালে থাকতে হয়। এর মধ্যে একদিন আব্দুল ক্বাদিরের মা স্বপ্নে দেখে যে, ও সাদা কাপড় পরে সাদা ঘোড়ায় চড়ে আকাশের দিকে চলে যাচ্ছে এবং বলছে “ আমি যাই।” এই স্বপ্ন দেখে আব্দুল ক্বাদিরের আম্মা অনেক কান্না করে এবং মুতহ্হারাহ, মুতহ্হিরাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার নিকট স্বপ্নটি জানান ও দোয়া মুবারক চান। সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি তখন বললেন,“ পারলে নিয়ে এসো এবং জানের বদলা জান নিয়ত কর।” তখন আব্দুল ক্বাদিরের আম্মা বিষয়টি তার বাবাকে জানালেন এবং চিন্তা করছিলেন, কি করা যায় যেহেতু বার্ন ইউনিটের রোগীদের সাধারণত ছাড়পত্র ছাড়া হসপিটাল থেকে বের হতে দেয় না। আর যেহেতু মুতহ্হারাহ, মুতহহিরাহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি দেখতে চেয়েছেন, তাই রাতের বেলা আব্দুল ক্বাদিরের বাবা ওকে একটি কাপড় পেঁচিয়ে বলেন,“ আমি তোমাকে দরবার শরীফে নিয়ে যাব, তবে তোমাকে চুপ থাকতে হবে। কথা বললে তোমাকে বের হতে দিবে না। তুমি আমার কাঁধে ঘুমিয়ে থাক। এরপর তাকে হসপিটাল থেকে বের করে নিয়ে মুতহ্হারাহ, মুতহহিরাহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার ছোহবত মুবারকে নিয়ে আসেন। অত:পর তিনি ওকে ব্যন্ডেজ সরিয়ে দেখেন এবং ফুঁ মুবারক ও নেক নজর মুবারক দিয়ে দেন। এরপর মাত্র ২৭ দিনের মধ্যে ওকে হাসপাতাল থেকে রিলিজ দিয়ে দেয়। তখন ডাক্তাররা বলে, এরকম পোড়া রোগীদের ৬ মাস থেকে ১ বছর পর্যন্ত থাকতে হয় এবং আরো বলেছিল যে, সাধারণত পোড়া রোগীদের তো ৩/৪ মাস থাকতে হয়, কিন্তু আপনারা এমন কি করেছেন যে, এত তাড়াতাড়ি রোগী সুস্থ হয়ে গেল। আমাদের জন্য দোয়া করে যান, ফু দিয়ে যান।” মূলত: ইহা সম্পূর্ণই মুতহ্হারাহ, মুতহহিরাহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার খাছ কারামত মুবারক
"সুবহানাল্লাহ"
এখন চিন্তা ও ফিকিরের বিষয় হল, মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে কত বড় নিয়ামত মুবারক দিয়েছেন। আর সেই নিয়ামত মুবারক হচ্ছেন মুতহ্হারাহ, মুত্বহহিরাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি। মহান আল্লাহ পাক তিনি যেন আমাদেরকে উনার হাক্বীক্বী শুকরিয়া আদায় করে উনার পবিত্র ক্বদম মুবারকে ইস্তেকামত থাকার তৌফিক দান করেন
"আমীন"
"সুবহানাল্লাহ"
এখন চিন্তা ও ফিকিরের বিষয় হল, মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে কত বড় নিয়ামত মুবারক দিয়েছেন। আর সেই নিয়ামত মুবারক হচ্ছেন মুতহ্হারাহ, মুত্বহহিরাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি। মহান আল্লাহ পাক তিনি যেন আমাদেরকে উনার হাক্বীক্বী শুকরিয়া আদায় করে উনার পবিত্র ক্বদম মুবারকে ইস্তেকামত থাকার তৌফিক দান করেন
"আমীন"
কারামতে মুতহ্হারাহ, মুতহহিরাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম-১
মহান আল্লাহ পাক উনার ওলী উনাদের সম্পর্কে কিতাবে বর্ণিত রয়েছে,
كَرَامَةُ الْاَوْلِيَاءِ حَقٌّ .
অর্থ: মহান আল্লাহ পাক উনার ওলীগণ উনাদের কারামত মুবারক সত্য
"সুবহানাল্লাহ"
যুগে যুগে আমরা অনেক বিশিষ্ট পুরুষ আউলিয়ায়ে কিরাম রহমাতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের নাম মুবারক ও পরিচিতি মুবারক জেনে আসছি, কিন্তু হযরত রাবেয়া বছরী রহমাতুল্লাহি আলাইহা ব্যতীত অন্য কোন মহিলা আউলিয়ায়ে কিরাম রহমাতুল্লাহি আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সম্পর্কে কোন আলোচনা করতে কাউকে শুনিনি বা জানিনি।
মহান আল্লাহ পাক উনার অপার দয়া, দান-ইহসান মুবারকে মুসলিম উম্মাহর জন্য খাছ করে মহিলাদের জন্য বেমেছাল রহমত-বরকত নিয়ে দুনিয়ার যমীনে তাশরীফ মুবারক এনেছেন। সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি, যিনি শুধু নিজেই ওলীআল্লাহ নন; বরং উনার মুবারক ছোহবতে আগত সমস্ত মহিলাদেরকে ওলীআল্লাহ বানাতে সক্ষম। "সুবহানাল্লাহ"
উনার পবিত্র ছোহবত মুবারকে যারাই আসেন, উনারা প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে অসংখ্য কারামত মুবারক অবলোকন করে থাকেন। যা সাধারণ মানুষের চিন্তা-ফিকিরেরও উর্ধ্বে। তিনি যে মহান আল্লাহ পাক উনার কত বড় মনোনীত মাহবুবা ওলীআল্লাহ তা উনার কারামত মুবারক সমূহ উনাদের দ্বারা সুস্পষ্টভাবে ফুটে উঠে। উনার অসংখ্য-অগণিত কারামত মুবারকসমূহের মধ্যে একটি কারামত মুবারক হলো:-
২০০৮ সালে শান্তিবাগের অপু ভাইয়ের আহলিয়ার মৃত সন্তান হয়। উনার বড় বোন (ফুয়াদ, ফাহিমের আম্মা) উনার সন্তানকে তোয়ালে করে পেঁচিয়ে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার নিকট নিয়ে আসেন উনাকে দেখানোর জন্য। তিনি সন্তানের সমস্ত শরীর হাত-পা সহ ভালোভাবে দেখলেন কিন্ত তার ঠোঁটদুটো শক্তভাবে মিলিত থাকার কারণে মুখের ভিতরটা দেখা যাচ্ছিল না। তখন তিনি বলেন, সবই তো দেখা হল কিন্তু মুখের ভিতরটা দেখা গেল না। সাথে সাথে মৃত শিশুর মুখ হা হয়ে যায় এবং মুখের ভিতরটা স্পষ্ট দেখা যায়
"সুবহানাল্লাহ"
এই অবস্থা প্রত্যক্ষ করে উনার বোন কাঁপতে শুরু করেন তখন সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি মুচকি হাসি মুবারক দিয়ে বলেন, দাঁড়াও; অপেক্ষা কর! হযরত শাহযাদীদ্বয় আলাইহিমাস সালাম উনাদেরকে ডেকে নিয়ে আসি। এ কথা বলে তিনি চলে যান। তিনি যাওয়ার পর সাথে সাথেই আবার মুখ পূর্বের মত মিলিত হয়ে যায়। পুনরায় যখন উনাদেরকে নিয়ে তাশরীফ মুবারক আনেন, তখন আবার উক্ত মৃত সন্তান তার মুখ হা করে। আশ্চর্যজনক কারামত মুবারক দেখে উপস্থিত সকলেই হতবাক/বাকরূদ্ধ হয়ে যায়
"সুবহানাল্লাহ"
এখন চিন্তা ও ফিাকিরের বিষয় হলো, তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার কত বড় ওলীআল্লাহ যে উনার জবান মুবারক উনার কথা শুনে মৃত শিশুও প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করে। হায় আফসুস! আমরা জীবিত থেকেও আমাদের বোধদয় হয় না যে আমরা কত বড় নিয়ামত মুবারক পেয়েছি
"সুবহানা উম্মিল উমাম আলাইহাস সালাম"
كَرَامَةُ الْاَوْلِيَاءِ حَقٌّ .
অর্থ: মহান আল্লাহ পাক উনার ওলীগণ উনাদের কারামত মুবারক সত্য
"সুবহানাল্লাহ"
যুগে যুগে আমরা অনেক বিশিষ্ট পুরুষ আউলিয়ায়ে কিরাম রহমাতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের নাম মুবারক ও পরিচিতি মুবারক জেনে আসছি, কিন্তু হযরত রাবেয়া বছরী রহমাতুল্লাহি আলাইহা ব্যতীত অন্য কোন মহিলা আউলিয়ায়ে কিরাম রহমাতুল্লাহি আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সম্পর্কে কোন আলোচনা করতে কাউকে শুনিনি বা জানিনি।
মহান আল্লাহ পাক উনার অপার দয়া, দান-ইহসান মুবারকে মুসলিম উম্মাহর জন্য খাছ করে মহিলাদের জন্য বেমেছাল রহমত-বরকত নিয়ে দুনিয়ার যমীনে তাশরীফ মুবারক এনেছেন। সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি, যিনি শুধু নিজেই ওলীআল্লাহ নন; বরং উনার মুবারক ছোহবতে আগত সমস্ত মহিলাদেরকে ওলীআল্লাহ বানাতে সক্ষম। "সুবহানাল্লাহ"
উনার পবিত্র ছোহবত মুবারকে যারাই আসেন, উনারা প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে অসংখ্য কারামত মুবারক অবলোকন করে থাকেন। যা সাধারণ মানুষের চিন্তা-ফিকিরেরও উর্ধ্বে। তিনি যে মহান আল্লাহ পাক উনার কত বড় মনোনীত মাহবুবা ওলীআল্লাহ তা উনার কারামত মুবারক সমূহ উনাদের দ্বারা সুস্পষ্টভাবে ফুটে উঠে। উনার অসংখ্য-অগণিত কারামত মুবারকসমূহের মধ্যে একটি কারামত মুবারক হলো:-
২০০৮ সালে শান্তিবাগের অপু ভাইয়ের আহলিয়ার মৃত সন্তান হয়। উনার বড় বোন (ফুয়াদ, ফাহিমের আম্মা) উনার সন্তানকে তোয়ালে করে পেঁচিয়ে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার নিকট নিয়ে আসেন উনাকে দেখানোর জন্য। তিনি সন্তানের সমস্ত শরীর হাত-পা সহ ভালোভাবে দেখলেন কিন্ত তার ঠোঁটদুটো শক্তভাবে মিলিত থাকার কারণে মুখের ভিতরটা দেখা যাচ্ছিল না। তখন তিনি বলেন, সবই তো দেখা হল কিন্তু মুখের ভিতরটা দেখা গেল না। সাথে সাথে মৃত শিশুর মুখ হা হয়ে যায় এবং মুখের ভিতরটা স্পষ্ট দেখা যায়
"সুবহানাল্লাহ"
এই অবস্থা প্রত্যক্ষ করে উনার বোন কাঁপতে শুরু করেন তখন সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি মুচকি হাসি মুবারক দিয়ে বলেন, দাঁড়াও; অপেক্ষা কর! হযরত শাহযাদীদ্বয় আলাইহিমাস সালাম উনাদেরকে ডেকে নিয়ে আসি। এ কথা বলে তিনি চলে যান। তিনি যাওয়ার পর সাথে সাথেই আবার মুখ পূর্বের মত মিলিত হয়ে যায়। পুনরায় যখন উনাদেরকে নিয়ে তাশরীফ মুবারক আনেন, তখন আবার উক্ত মৃত সন্তান তার মুখ হা করে। আশ্চর্যজনক কারামত মুবারক দেখে উপস্থিত সকলেই হতবাক/বাকরূদ্ধ হয়ে যায়
"সুবহানাল্লাহ"
এখন চিন্তা ও ফিাকিরের বিষয় হলো, তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার কত বড় ওলীআল্লাহ যে উনার জবান মুবারক উনার কথা শুনে মৃত শিশুও প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করে। হায় আফসুস! আমরা জীবিত থেকেও আমাদের বোধদয় হয় না যে আমরা কত বড় নিয়ামত মুবারক পেয়েছি
"সুবহানা উম্মিল উমাম আলাইহাস সালাম"
Subscribe to:
Posts (Atom)
Featured post
নজিরবিহীন ঘোষণা মুবারক
কায়িনাতের সবকিছুই সাজাবো এবং সারা কায়িনাতের সবাইকে খাওয়াবো ____________________________________ মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত...