পবিত্র কুরবানী ঈদের পরের দিন সাইয়্যিদ মুহম্মদ আব্দুল হালীম ভাইয়ের বড় ছেলে সাইয়্যিদ আব্দুল ক্বাদির যখন দূর্ঘটনাবশত: পুড়ে যায় তখন ওকে কোন হসপিটালেই ভর্তি রাখেনি, শেষে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যায়। নিয়ে যাওয়ার পর টেষ্ট করে দেখা যায় শরীরের ৮০% পুড়ে গিয়েছে। তাই ডাক্তার অনির্দিষ্ট কালের জন্য ভর্তি হতে বলে। তার চেহারার অর্ধেক সহ নীচে শরীরের পুরোটাই পুড়ে গিয়েছিল। সারা দিন-রাত খুবই কান্নাকাটি করত, হাসপাতালে থাকতে চাইতো না। দরবার শরীফে আসতে চাইত এবং বলত “ আমি দরবার শরীফে যাব।” ব্যান্ডেজ করার তিনদিন পরে যখন ওকে ড্রেসিং করতে নিয়ে যায়, তখন দেখা গেল, তার পুরো শরীরে ইনফেকশন হয়ে গেছে। ডাক্তাররা বলল, এভাবে ইনফেকশন হলে সাধারণত রোগী বাঁচে না, বাঁচলেও দীর্ঘদিন হাসপাতালে থাকতে হয়। এর মধ্যে একদিন আব্দুল ক্বাদিরের মা স্বপ্নে দেখে যে, ও সাদা কাপড় পরে সাদা ঘোড়ায় চড়ে আকাশের দিকে চলে যাচ্ছে এবং বলছে “ আমি যাই।” এই স্বপ্ন দেখে আব্দুল ক্বাদিরের আম্মা অনেক কান্না করে এবং মুতহ্হারাহ, মুতহ্হিরাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার নিকট স্বপ্নটি জানান ও দোয়া মুবারক চান। সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি তখন বললেন,“ পারলে নিয়ে এসো এবং জানের বদলা জান নিয়ত কর।” তখন আব্দুল ক্বাদিরের আম্মা বিষয়টি তার বাবাকে জানালেন এবং চিন্তা করছিলেন, কি করা যায় যেহেতু বার্ন ইউনিটের রোগীদের সাধারণত ছাড়পত্র ছাড়া হসপিটাল থেকে বের হতে দেয় না। আর যেহেতু মুতহ্হারাহ, মুতহহিরাহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি দেখতে চেয়েছেন, তাই রাতের বেলা আব্দুল ক্বাদিরের বাবা ওকে একটি কাপড় পেঁচিয়ে বলেন,“ আমি তোমাকে দরবার শরীফে নিয়ে যাব, তবে তোমাকে চুপ থাকতে হবে। কথা বললে তোমাকে বের হতে দিবে না। তুমি আমার কাঁধে ঘুমিয়ে থাক। এরপর তাকে হসপিটাল থেকে বের করে নিয়ে মুতহ্হারাহ, মুতহহিরাহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার ছোহবত মুবারকে নিয়ে আসেন। অত:পর তিনি ওকে ব্যন্ডেজ সরিয়ে দেখেন এবং ফুঁ মুবারক ও নেক নজর মুবারক দিয়ে দেন। এরপর মাত্র ২৭ দিনের মধ্যে ওকে হাসপাতাল থেকে রিলিজ দিয়ে দেয়। তখন ডাক্তাররা বলে, এরকম পোড়া রোগীদের ৬ মাস থেকে ১ বছর পর্যন্ত থাকতে হয় এবং আরো বলেছিল যে, সাধারণত পোড়া রোগীদের তো ৩/৪ মাস থাকতে হয়, কিন্তু আপনারা এমন কি করেছেন যে, এত তাড়াতাড়ি রোগী সুস্থ হয়ে গেল। আমাদের জন্য দোয়া করে যান, ফু দিয়ে যান।” মূলত: ইহা সম্পূর্ণই মুতহ্হারাহ, মুতহহিরাহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার খাছ কারামত মুবারক
"সুবহানাল্লাহ"
এখন চিন্তা ও ফিকিরের বিষয় হল, মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে কত বড় নিয়ামত মুবারক দিয়েছেন। আর সেই নিয়ামত মুবারক হচ্ছেন মুতহ্হারাহ, মুত্বহহিরাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি। মহান আল্লাহ পাক তিনি যেন আমাদেরকে উনার হাক্বীক্বী শুকরিয়া আদায় করে উনার পবিত্র ক্বদম মুবারকে ইস্তেকামত থাকার তৌফিক দান করেন
"আমীন"
No comments:
Post a Comment