রেবা (শ্যাওড়াপাড়া) তিনি উনার বাবার বাড়ি রাজবাড়িতে একবার বেড়াতে গিয়েছিলেন। তখন সেখান থেকে উনি উনার ছেলে, মেয়ে এবং উনার মা সহ উনার মামা বাড়িতে যাওয়ার জন্য রওনা হন। উনার মামাবাড়ি গ্রামের ভিতরের দিকে ছিল। রাস্তাগুলো উঁচু-নিচু। আর গাড়িটাও তেমন ভালো ছিল না। হঠাৎ গাড়িটা উচুঁ জায়গা থেকে ঢালুতে নামার সময় উল্টে যেতে থাকে। উনি তখন জোরে জোরে ইয়া আম্মাজী! ইয়া আম্মাজী! ইয়া মামদুহজী! হেফাযত করুন বলে উঠলেন। উনার সাথে সাথে উনার মেয়ে-ছেলেও আম্মাজী! আম্মাজী! বলে চিৎকার করে উঠে। গাড়িটি কয়েকবার উল্টে তারপর খাদে যেয়ে পড়ে। উনার ছেলে নিচে পড়ে যায় এবং গাড়িটি উনার ছেলের উপর পড়ে। গাড়ি থেকে ডিজেল বের হওয়ায় উনাদের শরীর ভিজে যায়। সে সময় দুপুর বেলা হওয়ায় রাস্তায় তেমন কেউ ছিল না এবং ড্রাইভার পালিয়ে গিয়েছিল। তখন উনারা আম্মাজী! আম্মাজী! বলছিলেন এবং দূরের মানুষদেরকে ডাকছিলেন। প্রায় আধাঘন্টার মধ্যে মানুষজন আসে এবং গাড়িটিকে উনার ছেলের উপর থেকে উঠায়। উনারাও বের হন। তবে আশ্চর্যের বিষয় হল যে, আম্মাজী! আম্মাজী! নাম মুবারক উনার যিকির করার কারণে ছেলেটির পায়ে তেমন কোন আঘাত লাগেনি। পাতার উপরে পাতলা পর্দা হালকা ফেটে গিয়েছিল বা কিছুদিন পর সেরে যায়। বাকিরাও তেমন ব্যাথা পাননি শুধু ছিলে গিয়েছিল। আরও আশ্চর্যের বিষয় হল, এতক্ষণ যে ডিজেল বেরিয়ে উনাদের জামা কাপড়ে লেগেছিল গাড়িতে ভেসে গিয়েছিল যার কারণে পরবর্তীতে সে জামাগুলো ছিদ্র হয়ে গিয়েছিল, শুধু এতটুকুই হয়েছিল। কিন্তু আমরা সবাই জানি যে, এভাবে যখন ডিজেল বেরিয়ে যায় তখন গাড়ির সংঘর্ষের কারণে আগুন ধরে যায়। শুধুমাত্র সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার দয়া ইহসান মুবারকে মারাত্মক কিছুই ঘটেনি। ওলীআল্লাহ উনাদের ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ এমন মহান নিয়ামত মুবারক যা কিনা মানুষ কাছে দূরে যেখানেই থাকুক না কেন? তাকে সমস্ত বিপদ-আপদ, বালা-মুছিবত থেকে হিফাজত করেন। সেই জন্য যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার মুবারক ছোহবতে আসা। মহান আল্লাহ পাক তিনি যেন সেই খাছ ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ হাছিল করার তৌফিক দান করেন
"আমীন"
No comments:
Post a Comment