ভোলাহাটের আসমা আপার আব্বার একদিন রাত ৪ টায় পেটের ডান পাশে ব্যথা উঠে। হসপিটালে নেওয়ার পর স্যালাইন দেয়া হয়। বিষয়টি সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার নিকট জানানো হলে তিনি বলেন, বেশী বেশী পানি পান করতে। পরে টেস্ট করার পর প্রথমে ধরা পড়ে যে, কিডনীতে পানি হয়েছে। ঔষধ দেয়া হয় কিন্তু কোন পরিবর্তন দেখা যায়নি। পরে আবার আল্ট্রাসোনো করার পর ধরা পরে যে, মুত্রনালীতে পাথর হয়েছে। ডাক্তাররা আপারেশন করতে বলেছে কিন্তু উনার আব্বার শ্বাসকষ্ট বিধায় সবাই ভয় পাচ্ছিল।
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার নিকট বিষয়টি জানানোর পর তিনি তেল, পানি, কালোজিরা ব্যবহার করতে বলেন এবং পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার খিদমত মুবারক করার নিয়ত করতে বলেন। উনি উনার আম্মাকে বিষয়টি জানান, উনার আম্মা উনার আব্বাকে বেশী বেশী তেল, পানি, কালোজিরা ব্যবহাহর করান এবং সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার জন্য হাদিয়া দেন। পরবর্তীতে ৪/৫ দিন পর আল্ট্রাসোনো করে দেখা যায়, উনার আব্বা সম্পূর্ণ সুস্থ। সুবহানাল্লাহ!
ডাক্তাররা অবাক হয়ে বলল, এটা কী করে সম্ভব? তারা দ্বিতীয়বার আল্ট্রাসোনো করলো, কিন্তু একই রিপোর্ট এসেছে
"সুবহানাল্লাহ"
ওলীআল্লাহ উনারা শুধু বাতেনী রোগের চিকিৎসক নন, উনারা যাহেরী রোগেরও চিকিৎসক। শুধু চিকিৎসকই নন, চিকিৎসকের চিকিৎসক। উনাদের উসীলায় বান্দা-বান্দী, উম্মত উনারা সুস্থও হন, সাথে সাথে হাক্বীক্বী ইছলাহ হাছিল করেন। মহান আল্লাহ পাক তিনি যেন সেই খাছ ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ হাছিল করার তৌফিক দান করেন
"আমীন"
No comments:
Post a Comment