একদিন ছাত্র ছোয়াদের আম্মুর সাথে একজন মহিলা দরবার শরীফে আসল। সে তা’লিম মুবারক শুনে, তাবারুক খেয়ে মাদরাসা দেখে চলে যাওয়ার সময় উক্ত পীরবোন তাকে জিজ্ঞেস করলেন, “কেমন দেখলেন? কেমন লাগল? সে বলল, “সবকিছুই তো ভালো লাগল, তবে যিনি তা’লিম মুবারক দিয়েছেন উনাকে ব্যতীত।” নাউযুবিল্লাহ! অর্থাৎ সে বুঝাতে চেয়েছে যে, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনাকে এবং উনার তা’লীম মুবারক তার ভালো লাগেনি। নাউযুবিল্লাহ! তারপর সে বাসায় চলে গেল। কিছুদিন পর তার সাথে উক্ত বোনটির দেখা হল। উনি দেখলেন যে, উক্ত মহিলার মুখ বাঁকা হয়ে গেছে। উক্ত পীরবোনটি তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, “আপনার এ অবস্থা কবে থেকে হয়েছে?” সে বলল, “যেদিন সে দরবার শরীফ থেকে এসে তা’লীম মুবারক আছন্দ করেছে, সেদিন রাতে ঘুমানোর পরে তার এ অবস্থা।” সে বলল যে, সে অনেক ডাক্তার দেখিয়েছে, কিন্তু ডাক্তার বলেছে, এটা কোনদিন ভালো হবে না। এটা শুনে উক্ত পীরবোনটি তাকে বললেন, “যেহেতু আপনি ওলীআল্লাহ উনার সাথে বেয়াদবী করেছেন। তাই আপনার এ অবস্থা হয়েছে। আপনি উনার নিকট গিয়ে উনার ক্বদম মুবারক ধরে খাছভাবে ক্ষমাপ্রার্থনা করেন।” কিন্তু এখন পর্যন্ত সে ক্ষমা চায়নি। যার কারণে তার মুখ এখনও বাঁকা অবস্থায় রয়েছে
"নাউযুবিল্লাহ"
مَنْ عَادَا لِىْ وَلِــيًّا فَقَدْ اٰذَنْتُهُ بِالْـحَرْبِ .
অর্থ: “যারা মহান আল্লাহ পাক উনার ওলীগণ উনাদের বিরোধিতা করে স্বয়ং খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করেন।”
তাই সকলকেই উপলব্ধি করতে হবে, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি কত উঁচু স্তরের ওলীআল্লাহ। মহান আল্লাহ পাক তিনি যেন উনার ছোহবতে এসে উনাকে চেনার, বুঝার তৌফিক দান করেন
"আমীন"
No comments:
Post a Comment